পাকিস্তানে ভারী বর্ষণ ও বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ১১১; ৫৩ শিশু নিহত
পাকিস্তানের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের (NDMA) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ২৬ জুন থেকে ১৪ জুলাই পর্যন্ত ভারী বর্ষণ ও বন্যার কারণে **১১১ জন** প্রাণ হারিয়েছেন, যাদের মধ্যে **৫৩ জন শিশু** ও **১৯ জন নারী** অন্তর্ভুক্ত। আহত হয়েছেন **২১১ জন**—পুরুষ ৮১, শিশু ৮২ ও নারী ৪৮ জন।
বিধ্বস্ত হয়েছে প্রায় ১০ কিলোমিটারের সড়ক ও ৯টি সেতু। গুরুতরভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ১৪৫টি বাড়ি, আংশিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ৩১০টি বাড়ি। সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে **পাঞ্জাব প্রদেশ**, যেখানে নিহতের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
এছাড়া, দেশের আবহাওয়া অধিদপ্তর আগামী ১৫–১৭ জুলাই পর্যন্ত নতুন বৃষ্টিপাতের সতর্কতা দিয়েছে। এর মধ্যে **ইসলামাবাদ**, **ইউপরে উত্তর-পাকিস্তান**, **আজাদ কাশ্মীর**, **খাইবার পাখতুনখোয়া** ও **ব্যালুচিস্তান** এ অঞ্চলে অতি ভারী আকাশীয় ঝড়ের সম্ভাবনা রয়েছে।
পাঞ্জাবে বিদ্যুৎস্পৃষ্টিতেই সবচেয়ে বেশি মৃত্যূ—NDMA জানিয়েছে বুধবার পর্যন্ত এই ধরনের ঘটনা সবচেয়ে সচল।
আরএফসি ও অন্যান্য স্থানীয় সংস্থাগুলি উদ্ধার ও পুনর্বাসন কার্যক্রমে নিয়োজিত, এবং জরুরি চাহিদা মেটাতে বিভিন্ন সরকারের পক্ষ থেকে হেল্পলাইনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। তবে অনেক এলাকায় এখনও পরিষ্কার–পরিচ্ছন্নতা ও চিকিৎসা সেবা অ্যাক্সেস বিষয়ক সমস্যা রয়েছে।
- মৃত্যুর সংখ্যা: ১১১, ৫৩ জন শিশু
- আহত: ২১১ জন (৮১ পুরুষ, ৮২ শিশু, ৪৮ নারী)
- পাঞ্জাব প্রদেশ সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত
- বিদ্যুৎস্পৃষ্টির কারণে বেশি মৃত্যু
- আগামী ১৫–১৭ জুলাই নতুন বর্ষণের সতর্কতা
– দৈনিক সঠিক বার্তা ডেস্ক
হ্যাশট্যাগ:
#দৈনিকসঠিকবার্তা #doiniksothikbarta #পাকিস্তান #বন্যা #ভারীবর্ষণ #আন্তর্জাতিকসংবাদ #ClimateCrisis
সূত্র: AFP (via Arab News/Al Arabiya/Xinhua), Reuters, AP News
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন